রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্রখাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে নগদ সহায়তা (ক্যাশ ইনসেনটিভ) উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের বিকল্প হিসেবে এ খাতে বিদ্যমান ১ দশমিক ৫০ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। নতুন হার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য কার্যকর হবে।
রোববার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ (এফইপিডি-১) থেকে এ-সংক্রান্ত এফইপিডি-১ সার্কুলার নম্বর-১৯ জারি করা হয়েছে। সার্কুলারটি দেশের সব অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও প্রিন্সিপাল অফিসে পাঠানো হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্রখাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাক সুবিধার বিকল্প হিসেবে নগদ সহায়তার হার ১.৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে এই সুবিধা পেতে রপ্তানিকারকদের নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে। বিজিএমইএ, বিকেএমইএ কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বাণিজ্য সংগঠনের সদস্য রপ্তানিকারকদের দেশীয় উৎস থেকে সুতা ও কাপড়সহ কাঁচামাল সংগ্রহের প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে।
এছাড়া কাঁচামাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বে জারি করা এফই সার্কুলার নম্বর-০৭ (৩ জুন ২০০৩), এফই সার্কুলার নম্বর-০৯ (৫ মার্চ ২০০১) এবং এ-সংক্রান্ত অন্যান্য নির্দেশনা ও শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে জাহাজীকৃত (শিপড) রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে এই বর্ধিত নগদ সহায়তা প্রযোজ্য হবে।
সার্কুলারে ব্যাংকগুলোকে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারক ও গ্রাহকদের দ্রুত অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।













