বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ রয়েছে ৩২ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি। সর্বশেষ একদিনেই দুই হিসাবেই রিজার্ভ বেড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১০ আগস্ট) দেশের মোট বা গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার। আগের দিন রোববার এই রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ একদিনে গ্রস রিজার্ভ বেড়েছে ১০ কোটি ডলার।
অন্যদিকে, আইএমএফের বিপিএম৬ হিসাব পদ্ধতিতে সোমবার দেশের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার। আগের দিন এই হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ০২৪ বিলিয়ন ডলার। ফলে একদিনে বিপিএম৬ হিসাবের রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার।
দুই হিসাবের মধ্যে পার্থক্যের কারণ হলো, গ্রস রিজার্ভের হিসাবে বৈদেশিক সম্পদের বিস্তৃত পরিমাণ ধরা হয়। বিপরীতে বিপিএম৬ পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিকভাবে তুলনাযোগ্য ও তুলনামূলকভাবে বেশি ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের হিসাব করা হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে রিজার্ভে ধীরে ধীরে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এর আগে রোববারই বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বিপিএম৬ হিসাবের রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করেছিল। একদিন পর সেটি আরও বেড়ে ৩২ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের এই অবস্থান দেশের বৈদেশিক লেনদেন ও মুদ্রাবাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমদানি দায় পরিশোধ, বৈদেশিক ঋণের কিস্তি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক লেনদেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সক্ষমতার অন্যতম প্রধান সূচক হিসেবে রিজার্ভকে দেখা হয়।
তবে শুধু গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থান মূল্যায়ন করা হয় না। আন্তর্জাতিক তুলনা ও ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের চিত্র বুঝতে বিপিএম৬ হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে এই হিসাবে দেশের রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারের ওপরে রয়েছে।













