ছবি: ডিএসজে কোলাজ, বাসস প্রকাশিত ছবি অবলম্বনে।
মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মোট ২৬ বছর এবং তার ঘনিষ্ঠ স্বজনদের ২ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে ঢাকার আদালত। যাদের মধ্যে রয়েছেন তার ভাগ্নি, অর্থাৎ বোনের মেয়ে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকও।
আজ সোমবার (১ ডিসেম্বর) ও গত বৃহস্পতিবারের (২৭ নভেম্বর) রায়গুলোতে অভিযুক্তদের জরিমানাও করা হয়েছে, যা অনাদায়ে কারাদণ্ডের মেয়াদ ৬ থেকে ১৮ মাস পর্যন্ত বাড়বে। শেখ হাসিনার স্বজনদের মধ্যে অন্য দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং বোন শেখ রেহানা। যাদের প্রত্যেকেই এখন দেশের বাইরে আছেন। এসব রায়ে শেখ হাসিনার প্রশাসনের যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাজা হয়েছে, তাদেরও সিংহভাগই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির মামলায় সোমবারের রায়ের পর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী আইনজীবী খান মো. মঈনুল হাসান আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের বলেন, “যে আসামিরা যেসব দেশে আছেন, তাদের ফেরাতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাইব।”
“টিউলিপ একদিকে বাংলাদেশি নাগরিক, অন্যদিকে ব্রিটিশ নাগরিক। তাকে দেশে ফেরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে উদ্যোগ নেওয়া হবে। বাংলাদেশের আইনে যে প্রক্রিয়া রয়েছে, আমরা তা সম্পন্ন করব সরকারকে সঙ্গে নিয়ে,” উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, “আমরা দুদকের সঙ্গে আলোচনা করে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাব। তবে রায় আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। আমরা সর্বোচ্চ শাস্তি-যাবজ্জীবন চেয়েছিলাম।”
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম সোমবার এই রায়ে হাসিনাকে ৫ বছর, তার বোন শেখ রেহানা সিদ্দিককে ৭ বছর এবং ভাগ্নি ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিদের অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। তিনজনকেই ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাদের আরো ৬ মাস বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে। তারা বাদে বাকি ১৪ জন আসামিকে ৫ বছর কারাদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এই মামলায় মোট ৩২ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার ১৭ আসামির মধ্যে শুধু রাজউকের সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম কারাগারে আছেন। রায় ঘোষণার সময়ে তিনি আদালতে ছিলেন। পলাতক আসামিরা কেন আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ পাননি-তা রায়ের পর্যবেক্ষণে ব্যাখ্যা করেন বিচারক।
“বাংলাদেশের নাগরিক যেখানে থাকুক, আইন অনুযায়ী তাকে বিচার করার কোনো বাধা নেই। কেবল মৃত্যুদণ্ডযোগ্য ধারার ক্ষেত্রে পলাতক আসামির জন্য ডিফেন্স ল’ইয়ার নিয়োগের বিধান রয়েছে। এই মামলায় এমন কোনো ধারা না থাকায় ডিফেন্স ল’ইয়ার নিয়োগের সুযোগ নেই। উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলায় শুনানির অধিকার দাবি করার আগে আসামিকে আত্মসমর্পণ করতে হয়। আত্মসমর্পণ ছাড়া বিচারিক সুবিধা পাওয়া যায় না,” বলেন তিনি।
রায়ের পর্যবেক্ষণে ব্যাখ্যা করে বিচারক আরো বলেন, “পবিত্র কোরআনে আল্লাহ সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, পাপ ও জুলুমের বিষয়ে একে অপরকে সহায়তা করো না। দুর্নীতি এখন এক ধরনের রোগে পরিণত হয়েছে এবং সমাজকে গ্রাস করছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির পৃথক তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭ বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। মোট ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ১৮ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে। একইদিন পৃথক দুটি মামলায় তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ৫ বছরের কারাদণ্ডের রায় দেয় আদালত। তাদেরও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
সেদিনের রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, “সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে নিয়মানুযায়ী প্লট বরাদ্দের কোনো আবেদন না করলেও প্লটের দখল বুঝে পেতে ঠিকই আবেদন করেছিলেন। এতে বোঝা যায় যে, শেখ হাসিনার সম্পদের প্রতি লোভ ছিল।” পৃথক ৩টি মামলায় একটিতে শেখ হাসিনাসহ আসামি ১২ জন, আরেকটিতে জয় ও শেখ হাসিনাসহ ১৭ জন, বাকি আরেকটি মামলাতে পুতুল ও শেখ হাসিনাসহ আসামি ১৮ জন। এর মধ্যে দুটি মামলায় ২৩ জন করে এবং পুতুলের মামলায় ২৮ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।
২০২৪ সালের গণরোষে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। তাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ দুই দফা চিঠি দিলেও সাড়া দেয়নি ভারত। সেই সময়কার ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে গত ১৭ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এরপর শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরে ভারতকে তৃতীয়বারের মতো চিঠি দেয় বাংলাদেশ।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেন, “চলমান বিচারিক ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অনুরোধটি (বাংলাদেশের চিঠি) পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। আমরা শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি এবং স্থিতিশীলতাসহ বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে আমরা অব্যাহতভাবে সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকব।”
সেদিনই ঢাকায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন জানান, দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী পুনঃযাচাইয়ের অংশ হিসেবে হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ২টি ব্যাংকের ৩টি লকার খুলে ৯ কেজি ৭০৭ গ্রাম (৮৩২ ভরি) স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নামে থাকা একটি লকারে ৪২২ ভরির কিছু বেশি সোনা পাওয়া যায়। শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার নামে থাকা একটি লকারে পাওয়া গেছে ৪১০ ভরি সোনা। এসব সোনার মধ্যে সোনার নৌকা ও হরিণ রয়েছে।
সরকারি জমি পেতে ক্ষমতার অপব্যবহার
শেখ রেহানার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত ১৩ জানুয়ারি একটি মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন। মামলায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে আসামি করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে গত ১০ মার্চ আরো দুই আসামিসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া।
চার্জশিটে বলা হয়, শেখ রেহানা নিজ বা পরিবারের অন্য সদস্যদের মালিকানায় ঢাকা শহরে বাড়ি বা ফ্ল্যাট বা আবাসন সুবিধা থাকার পরও অসৎ উদ্দেশ্যে তা হলফনামায় গোপন করেছেন। পূর্বাচলের নতুন শহর প্রকল্পের প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত আইন, বিধি, নীতিমালা ও আইনানুগ পদ্ধতি লঙ্ঘিত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে প্রভাবিত করে রাজউকে কোনো আবেদন না করেই তার কাছে আবদার করে আবেদন করেন। ১০ কাঠার প্লট নিয়ে সরকারি জমি আত্মসাৎ করেন।
টিউলিপ জানতে পারেন তার খালা শেখ হাসিনা নিজের নামে এবং ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নামে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা করে প্লট নিচ্ছেন। এটি জানার পর তিনি ব্রিটিশ এমপি হিসেবে বিশেষ ক্ষমতা ব্যবহার করে মা শেখ রেহানা, বোন আজমিনা সিদ্দিক ও ভাই রাদওয়ান মুজিবের নামে ওই প্রকল্পে প্লট বরাদ্দের জন্য শেখ হাসিনার ওপর চাপ প্রয়োগ ও প্রভাব বিস্তার করেন।
শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালে বিশেষ ক্ষমতাবলে রেহানার অনুকূলে প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে দ্য ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট (এলোটমেন্ট অফ লেন্ড) রুলস, ১৯৬৯ এর বিধি-২, বিধি ৪, বিধি ৫, বিধি ৬, ও রুল ১৩ এ (১) (এ) লঙ্ঘন করা হয়েছে। অপরাধজনক অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করার মাধ্যমে নিজ ও পরিবারকে আর্থিকভাবে লাভবান করেছেন।
এছাড়া মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পারস্পরিক যোগসাজশে নিজে এবং অপরকে শাস্তি থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে নথি বিনষ্ট করেছেন৷ সালাহ উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রেহানার অনুকূলে প্লট বরাদ্দের বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেছেন। নিয়ম ও নীতিমালা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিভিন্ন কোটায় প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত নথিতে প্রস্তাবকারী এবং প্রধানমন্ত্রী উক্ত প্রস্তাব মোতাবেক স্বাক্ষর করতেন। তিনি ও শেখ হাসিনা পরস্পর যোগসাজশে নথিটি গায়েব করেছেন মর্মে তদন্তে জানা গেছে।
এর আগে ২৭ নভেম্বরের রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, “রাজউকের প্লট বরাদ্দ নিয়ে শেখ হাসিনা আইন মানেননি। রাজউকের প্লট বরাদ্দের জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হয়। কিন্তু শেখ হাসিনা তা করেননি। ২০২২ সালের ১৮ জুলাই শেখ হাসিনাকে প্লট দেওয়ার জন্য একটি ফাইল খোলা হয়। ২৬ জুলাই রাজউকের বোর্ড সভায় প্রাথমিকভাবে তাকে প্লট বরাদ্দের অনুমোদন দেওয়া হয়। ২৭ জুলাই শেখ হাসিনাকে প্লট অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। একইসাথে শেখ হাসিনাকে তার ও তার পরিবারের নামে রাজধানীর কোথাও সরকারি বা আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়নি মর্মে হলফনামা জমা দিতে বলা হয়।”
“শেখ হাসিনা রাজউকে একটি হলফনামা দাখিল করেন। এই হলফনামায় তিনি তার স্বামীর নামে ১৯৭৩ সালে যে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, তা গোপন করে শুধু তার নামে রাজধানীর কোথাও প্লট নেই মর্মে হলফনামা দাখিল করেন। এছাড়া এই হলফনামায় কোনো সাক্ষী, আইনজীবী বা নোটারি করা হয়নি। হলফনামা নোটারি না করলে তার আইনগত কোনো ভিত্তি থাকে না। তিনি সাধারণ কোনো নাগরিক নন। ওনার লিগাল অ্যাডভাইজার, ল’ মিনিস্টার, অ্যাটর্নি জেনারেল আছে,” যোগ করেন বিচারক।
পর্যবেক্ষণে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২২ সালের ৩ আগস্ট রাজউকে শেখ হাসিনার নামে চূড়ান্তভাবে প্লট বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়। এরপর তাকে আরেকটি হলফনামা দিতে বলা হয়। এবারও তিনি একইভাবে হলফনামা দাখিল করেন। দাখিল করা দুটো হলফনামার একটিরও আইনগত কোনো ভিত্তি নাই।
বিচারক আরো বলেন, ”প্লট বরাদ্দের আবেদন না করলেও এবং আইনানুযায়ী বৈধ হলফনামা দাখিল না করলেও পূর্বাচলের ১৫১১নং প্লটের দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ২০২২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা ঠিকই আবেদন করেন। এতে বোঝা যায়, শেখ হাসিনার সম্পদের প্রতি লোভ ছিল। আমাদের প্রতিটি সেক্টরে রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি ঢুকে গেছে। দুর্নীতিবাজদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। শেখ হাসিনা প্লট বরাদ্দ না নিলে ওই প্লট অন্য একজন আবেদনকারী পেতেন। ফলে শেখ হাসিনা প্রতারণা করেছেন। এ রায়ের মাধ্যমে প্রকৃতরা যেন প্লট বরাদ্দ পান, সে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”
উল্লেখ্য, প্লট বরাদ্দের দুর্নীতির অভিযোগে গত জানুয়ারিতে পৃথক ছয়টি মামলা করেছিল দুদক, যার মধ্যে চারটির রায় হলো। আরো দুটি মামলায় অভিযুক্ত আছেন এই পরিবারের আরো দুই সদস্য-রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক।











