ভাইরাল আতঙ্কে আর্থিক খাত, চাই ডিজিটাল বর্ম

ডিএসজে কোলাজ
ডিএসজে কোলাজ

এখন একটি গুজব এমন গতিতে ছড়ায়, যা অনেক সময় একজন ব্যাংক ব্যবস্থাপক, একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা, এমনকি একটি সংবাদপত্রের সম্মিলিত গতিকেও ছাড়িয়ে যায়। বাংলাদেশ এখন সেই বাস্তবতার মধ্যেই বসবাস করছে। দৃশ্যটি খুব পরিচিত—সকালে ঘুম থেকে উঠে একজন গ্রাহক ফেসবুকে দেখলেন একটি ব্যাংক নিয়ে উদ্বেগ ছড়ানো পোস্ট। তিনি সেটি পরিবারের সদস্যদের পাঠালেন। কিছুক্ষণের মধ্যে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এল একটি ভয়েস নোট। তার সঙ্গে যুক্ত হলো লাল দাগ টানা একটি স্ক্রিনশট, সতর্কতামূলক ভাষায় লেখা কয়েকটি বাক্য। খুব অল্প সময়েই উদ্বেগ এক ফোন থেকে আরেক ফোনে ছড়িয়ে পড়ল। শাখা চালু হওয়ার আগেই আস্থার ভিত্তি নড়ে উঠল।

ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ঝুঁকি এখন আর শুধু তথ্যপ্রবাহের বিষয় নয়; এটি এখন সরাসরি ব্যাংক স্থিতিশীলতার প্রশ্ন। একটি ব্যাংক দুর্বল সময় পার করতে পারে, নীতিগত ভুল সামলাতে পারে, বাজারচাপও কোনো না কোনোভাবে মোকাবিলা করতে পারে। কিন্তু মানুষ যদি হঠাৎ বিশ্বাস হারায় যে তাদের অর্থ নিরাপদ কি না, তখন সংকটের চরিত্র বদলে যায়। ব্যাংক খাত মূলত আস্থার ওপর দাঁড়ানো একটি ব্যবস্থা। আমানতকারীরা ব্যাংকে অর্থ রাখেন এই বিশ্বাসে যে, প্রয়োজন হলে তা ফেরত পাবেন। অধিকাংশ মানুষ স্থির থাকলে এই ব্যবস্থা সচল থাকে। কিন্তু একই সময়ে অনেক মানুষ অর্থ তুলে নিতে চাইলে ভারসাম্য নড়ে যায়। ডিজিটাল যুগে আতঙ্ক আর ধীরে ছড়ায় না; এটি তাৎক্ষণিক, আবেগনির্ভর এবং এটি খুব সহজে ছড়ায়।

একসময় ভয় ছড়াত মুখে মুখে—চায়ের দোকানে, বাজারে কিংবা শাখার সামনে কেউ কিছু বলত। সেখান থেকে খবর ছড়াত, সময় লাগত। এখন ভয় আসে ছবির সঙ্গে, ভুয়া চিঠির সঙ্গে, সম্পাদিত ভিডিওর সঙ্গে, নকল লোগোর সঙ্গে আর এমন জরুরি ভাষার সঙ্গে যা ব্যস্ত মানুষকে সহজেই বিভ্রান্ত করতে পারে। এখানেই বর্তমান সময়ের পার্থক্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শুধু তথ্য বহন করে না, এটি আবেগও বহন করে; এটি গতি তৈরি করে, চাপ তৈরি করে। আর ব্যাংক খাতে এই চাপ অনেক সময় সত্য যাচাইয়ের আগেই আচরণে রূপ নেয়।

বাংলাদেশ এই ঝুঁকির মুখে বিশেষভাবে উন্মুক্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গভীরে ঢুকে গেছে। ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব এবং ছোট ভিডিওভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম এখন শুধু বিনোদনের জায়গা নয়। অনেকের কাছে এগুলো সংবাদ, পরামর্শ আর ব্যবসায়িক সংকেতেরও উৎস। বহু নাগরিকের কাছে প্রথম সতর্কবার্তা ব্যাংক বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে আসে না; আসে বন্ধু, আত্মীয় বা একটি গ্রুপচ্যাট থেকে। একই সময়ে দেশের ব্যাংক খাত নিজেই একটি চাপের সময় পার করছে। ফলে জনআস্থার ভিত্তি আগেই নরম হয়ে আছে। যখন একটি খাত নিয়ে আগে থেকেই প্রশ্ন থাকে, তখন দুর্বল গুজবও বিশ্বাসযোগ্যোনায়।

এখানেই ব্যাংক খাতকে একটি অস্বস্তিকর সত্য মেনে নিতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শুধু তখনই বিপজ্জনক নয় যখন তথ্য মিথ্যা হয়; এটি তখনও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে যখন প্রতিষ্ঠান ধীর, অস্পষ্ট, প্রতিরক্ষামূলক বা নীরব থাকে। একটি গুজবের টিকে থাকার জন্য নিখুঁত প্রমাণ লাগে না; লাগে সঠিক সময় ও জরুরি ভঙ্গি। ‘এখনই টাকা তুলে নিন’ ধরনের একটি বার্তা, সম্ভাব্য একীভূতকরণ নিয়ে সম্পাদিত একটি নোটিশ, নগদ সংকটের ভুয়া বিবৃতি বা ভেতরের তথ্যের দাবি করা একটি ভয়েস ক্লিপ উদ্বিগ্ন আমানতকারীদের নড়িয়ে দিতে পারে। মানুষ একবার বিশ্বাস করতে শুরু করলে যে অন্যরা ইতিমধ্যে পদক্ষেপ নিচ্ছে, তখন তারা সরকারি ব্যাখ্যার জন্য অপেক্ষা করে না। আগে সিদ্ধান্ত নেয়, পরে ব্যাখ্যা খোঁজে। অর্থের প্রশ্নে মানুষের আচরণ সাধারণত ধৈর্যশীল হয় না।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে এককভাবে দোষী করলে বিশ্লেষণ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে এটিই ব্যাংক স্থিতিশীলতার সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ারগুলোর একটি হতে পারে। একটি ভেরিফাইড পেজ অনেক সময় ওয়েবসাইটে চাপা পড়ে থাকা আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির চেয়ে দ্রুত গ্রাহককে আশ্বস্ত করতে পারে। একজন বিশ্বাসযোগ্য ব্যাংকনেতার সংক্ষিপ্ত ভিডিও একটি দীর্ঘ বিবৃতির চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলতে পারে। সহজ বাংলায় দেওয়া একটি দ্রুত সতর্কবার্তা বিভ্রান্তি ছড়ানোর আগেই থামিয়ে দিতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম জালিয়াতি সম্পর্কে সতর্ক করতে পারে, সেবায় বিঘ্নের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে, ভুয়া দাবি খণ্ডন করতে পারে এবং গ্রাহককে যাচাইকৃত চ্যানেলের দিকে নিয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে এটি ব্যাংককে জনউদ্বেগের ভাষা, গতি এবং দিক বুঝতে সাহায্য করতে পারে। সঠিক প্রয়োগে এটি আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা, একই সঙ্গে আস্থার সেতুও।

বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই দেখেছে কীভাবে ডিজিটাল পরিসর আর্থিক ক্ষেত্রে অপব্যবহারের হাতিয়ার হতে পারে। প্রতারকচক্র সম্মানিত প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করেছে, ভুয়া পেজ খুলেছে, মিথ্যা ঋণপ্রস্তাব দিয়েছে, নকল বিনিয়োগ গ্রুপ তৈরি করেছে, জাল ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে এবং সহজ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়েছে। তাদের কৌশল খুব পরিচিত—প্রথমে তারা পরিচিত নাম ধার করে বিশ্বাস তৈরি করে, তারপর ভয় বা লোভ সৃষ্টি করে। এরপর মানুষকে ঠেলে দেয় দ্রুত পেমেন্ট, ট্রান্সফার বা উত্তোলনের দিকে। প্রতারণার কৌশল নতুন নয়; বদলেছে কেবল এর উপস্থাপন, গতি আর পৌঁছানোর পরিসর।

ব্যাংক খাতের অংশীজনদের জন্য এ লেখার বার্তা স্পষ্ট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আতঙ্ক শুধু একটি দুর্বল ব্যাংককে নয়, বৃহত্তর ব্যবস্থাকেও নাড়িয়ে দিতে পারে। ভয় এক জায়গায় আটকে থাকে না; এটি একটি প্রতিষ্ঠান থেকে আরেকটিতে যায়, একটি গুজব থেকে আরেকটিতে যায়, একটি বিচ্ছিন্ন উদ্বেগ থেকে সামগ্রিক আস্থাসংকটে রূপ নেয়। যখন ব্যাংক খাত এমনিতেই কঠিন সময়ে থাকে, তখন এই ঝুঁকি আরও বাড়ে। সাধারণ গ্রাহক সব সময় তারল্যসংকট, সুশাসন সমস্যা, নীতিগত পদক্ষেপ আর প্রকৃত ধসের মধ্যে পার্থক্য করতে পারেন না। অনেকেই একটি উদ্বেগজনক বাক্য শুনে সবচেয়ে খারাপ সম্ভাবনাটিকেই সত্য ধরে নেন। সে কারণেই এখানে স্পষ্টতা মূলধনের মতোই গুরুত্বপূর্ণ; অনেক বাস্তব পরিস্থিতিতে কখনও কখনও তার চেয়েও বেশি।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার সামনে এখানেই একটি মৌলিক অসামঞ্জস্যতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মিনিটে চলে; নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা চলে নথি, বৈঠক, পর্যালোচনা, নিরীক্ষা, আইনগত যাচাই এবং আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ভেতর দিয়ে। এসব ধাপ প্রয়োজনীয়। কোনো সুস্থ আর্থিক ব্যবস্থা চায় না তদারকি হ্যাশট্যাগ আর বিশৃঙ্খলার হাতে ছেড়ে দেওয়া হোক। কিন্তু সময়ের এই ফারাক বাস্তব। নিয়ন্ত্রক সংস্থা যখন একটি সমস্যা যাচাই করে প্রতিক্রিয়া প্রস্তুত করতে থাকে, এরই মধ্যে জনমনের অবস্থা বদলে যেতে পারে। মানুষ হয়তো ইতিমধ্যে অর্থ তুলে ফেলেছে, ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিয়েছে, আস্থা হারিয়েছে। এর অর্থ এই নয় যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা অনুপস্থিত; এর অর্থ হলো, তাদের প্রচলিত প্রতিক্রিয়ার কাঠামো তুলনামূলক ধীর এক সময়ের জন্য নির্মিত। বাজার বদলেছে তাদের প্রতিক্রিয়ার চেয়ে দ্রুত।

এই চ্যালেঞ্জের দুর্বল প্রতিক্রিয়া হলো ডিজিটাল পরিসর সীমিত করে দেওয়া বা নীরব থাকা। এতে সাধারণত সমস্যা কমে না, বরং বাড়ে। যাচাইকৃত চ্যানেল সরে গেলে গুজবই সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠ হয়ে ওঠে। গ্রাহক যদি নিজে তথ্য যাচাই করতে না পারেন, সেবা সচল আছে কি না জানতে না পারেন বা বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের সরাসরি বক্তব্য না পান, তাহলে উদ্বেগ আরও ঘনীভূত হয়। ব্যাংক সংকটের সময় যোগাযোগ নিজেই স্থিতিশীলতার অংশ। মানুষের অন্ধকার নয়, তথ্য দরকার। আধুনিক আর্থিক ব্যবস্থা জনগণের কাছে আস্থা চাইতে পারে না যদি সে নিজেই সেই জায়গায় উপস্থিত না থাকে যেখানে মানুষ এখন থাকে, পড়ে, দেখে এবং প্রতিক্রিয়া জানায়।

বাংলাদেশে এই চ্যালেঞ্জ আরও জটিল, কারণ এখানে ডিজিটাল প্রবেশগম্যতা আর্থিক বোঝাপড়ার চেয়ে দ্রুত বাড়ছে। অনেক মানুষ অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন, পোস্ট ফরোয়ার্ড করতে পারেন, ভিডিও দেখতে পারেন; কিন্তু তার মানে এই নয় যে তাঁরা বুঝতে পারেন কোন নথি ভুয়া, কোন দাবি বিশ্বাসযোগ্য বা স্বল্পমেয়াদি একটি সমস্যা মানেই স্থায়ী বিপর্যয় কি না। আর্থিক সাক্ষরতা, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা একসঙ্গে বাড়ে না। এখানেই সমস্যার কেন্দ্র। সংযুক্ত জনগোষ্ঠী মানেই সচেতন জনগোষ্ঠী নয়। শক্তিশালী জনশিক্ষা ছাড়া যে প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্তি বাড়ায়, সেই প্রযুক্তিই বিভ্রান্তির পথও খুলে দেয়।

অতএব করণীয়কে বিচ্ছিন্ন কাজ হিসেবে নয়, একটি সমন্বিত আস্থা-ব্যবস্থাপনা কাঠামো হিসেবে দেখতে হবে। ব্যাংক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে এমন একটি যৌথ গুজব-প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা দরকার যা আতঙ্ক শুরু হওয়ার পরে নয়, আগেই প্রস্তুত থাকবে। প্রতিটি বড় প্রতিষ্ঠানের ভেরিফাইড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চ্যানেল থাকা দরকার। দ্রুত প্রতিক্রিয়ার সক্ষম দল থাকা দরকার। জরুরি বার্তা অনুমোদনের সরল ও পরিষ্কার প্রক্রিয়া থাকা দরকার। সংকটকালে ভাষা হতে হবে সহজ, সরাসরি এবং প্রয়োজনে দ্বিভাষিক। মানুষকে ঝকঝকে পরিভাষা নয়, পরিষ্কার সত্য দিতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণকে শাখা-স্তরের প্রতিক্রিয়া, কলসেন্টারের সংকেত এবং অস্বাভাবিক উত্তোলন আচরণের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে, যাতে প্রাথমিক চাপ দ্রুত ধরা যায়। ফ্রন্টলাইন কর্মীদের এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে যেন তাঁরা একটিই স্পষ্ট বার্তা দেন, পরস্পরবিরোধী কয়েকটি নয়। জালিয়াতি রিপোর্টিং হতে হবে দ্রুত, দৃশ্যমান এবং সমন্বিত। এখানে ব্যাংক, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, টেলিকম অপারেটর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা জরুরি। একই সঙ্গে জনসচেতনতাকে বিচ্ছিন্ন প্রচার হিসেবে নয়, ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হিসেবে নিতে হবে। শাখা, এজেন্ট নেটওয়ার্ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি গ্রুপ, টেলিভিশন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেই ব্যবহার করতে হবে মানুষকে শেখানোর জন্য—কীভাবে তথ্য যাচাই করতে হয়, কীভাবে ভুয়া আর্থিক প্রস্তাব চিনতে হয় এবং অনিশ্চয়তার সময় কীভাবে স্থির থাকতে হয়।

বস্তুত এটি শুধু প্রযুক্তিকে ঘিরে কোনো আলোচনা নয়; এটি আস্থার গল্প। বাংলাদেশের আর্থিক খাত এখন একটি সংবেদনশীল সময় পার করছে। আর ঠিক এমন সময়েই সত্যকে গুজবের চেয়ে দ্রুত চলতে হবে। অংশীজনদের আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে কেবল জনসংযোগ দলের প্রান্তিক বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি এখন আর্থিক স্থিতিশীলতা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, গ্রাহক সুরক্ষা এবং সংকট প্রতিক্রিয়ার অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে ব্যাংক এই বাস্তবতা বুঝবে সে বেশি প্রস্তুত থাকবে; যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এ অনুযায়ী কাজ করবে সে আস্থা আরও কার্যকরভাবে রক্ষা করতে পারবে। আর্থিক খাত তখনই বেশি নিরাপদ হবে যখন সব পক্ষ মেনে নেবে যে আধুনিক ব্যাংক কার্যক্রমের স্থিতিশীলতা রক্ষার লড়াই অনেক সময় কাউন্টারের আগে স্ক্রিনেই শুরু হয়ে যায়।

লেখক: অধ্যাপক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) এবং চেয়ারম্যান, ডিনেট।

Share this article

আপনারা চাইলে কাস্টম বিজ্ঞাপন এইখানে দিতে পারেন
বিজ্ঞাপনের ছবি বা ভিডিও সাইজ ৩৩৬x২৮০ পিক্সাল হতে হবে

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top