ঘুরে দাঁড়াচ্ছে গ্রামীন অর্থনীতি, স্মার্ট কৃষির পথে দেশ

ডিএসজে কোলাজ
ডিএসজে কোলাজ

বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করতে দ্বিমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। একদিকে অভ্যন্তরীণভাবে প্রান্তিক কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনে চালু হচ্ছে ডিজিটাল ‘কৃষক কার্ড’, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র রাশিয়ার সঙ্গে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও সার আমদানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আজ বুধবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানান, আগামী পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ শুরু হচ্ছে। টাঙ্গাইল জেলা থেকে শুরু হতে যাওয়া এই কার্যক্রমের প্রথম ধাপে দেশের ১১টি উপজেলার ২১ হাজার ১৪ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক সরকারি সুবিধার আওতায় আসবেন।

এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা কৃষি উপকরণ ক্রয়ের জন্য বার্ষিক ২,৫০০ টাকা করে সরাসরি প্রণোদনা পাবেন। এছাড়া কার্ডটি ভবিষ্যতে কৃষি ঋণ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে একটি অপরিহার্য দলিল হিসেবে গণ্য হবে। সরকারের এই উদ্যোগের পাশাপাশি ১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করা হয়েছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে আজ সচিবালয়ে কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন। বৈঠকে রাশিয়া বাংলাদেশের কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, উন্নত বীজ সরবরাহ এবং সার আমদানিতে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের কৃষি খাতের অপরিহার্য উপাদান এমওপি (নন-ইউরিয়া) সারের বড় অংশই আসে রাশিয়া থেকে। এই সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে আলু, আম, শসা ও প্রক্রিয়াজাত খাবার আমদানির পরিমাণ বাড়াতে রাশিয়াকে আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী। রাষ্ট্রদূত খোজিনও বাংলাদেশের কৃষি পণ্যের গুণগত মানের প্রশংসা করে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রসারে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

Share this article

আপনারা চাইলে কাস্টম বিজ্ঞাপন এইখানে দিতে পারেন
বিজ্ঞাপনের ছবি বা ভিডিও সাইজ ৩৩৬x২৮০ পিক্সাল হতে হবে

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top