বাংলাদেশের কৃষির টেকসই উন্নয়নে ২০৫০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান।
এই খাতের স্টেকহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন, “আপনাদের সহযোগিতার আমরা যে পরিকল্পনাটি তৈরি করব সেটি আমাদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে দিকনির্দেশনা দেবে। আমাদের আগামীর কৃষির সকল উন্নয়ন প্রকল্প এই পরিকল্পনাকে ভিত্তি করেই তৈরি করা হবে “
রংপুরের রোকেয়া কনভেনশন হলে রোববার (১১ জানুয়ারি) এক কর্মশালায় কথা বলছিলেন সচিব। কৃষি খাতকে আধুনিক ও টেকসইভাবে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল প্রণয়নের লক্ষ্যে “বাংলাদেশের কৃষির রূপান্তর: আউটলুক ২০৫০” শীর্ষক এই আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)-এর সহায়তায় রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের এ কর্মশালায় সচিব বলেন, “বর্তমান সরকার কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে চায়।”
এই লক্ষ্যে কৃষিক্ষেত্রে সব স্টেকহোল্ডারের মতামত সংগ্রহ এবং সীমাবদ্ধতা বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “আপনাদের সহযোগিতায় আমরা যে পরিকল্পনাটি তৈরি করব সেটি ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে দিকনির্দেশনা দেবে।”
এফএও’র প্রতিনিধি মার্টিন মাওগাসটিন বলেন, কৃষির পরিকল্পনায় প্রকৃতি ও পরিবেশকে বিবেচনায় আনতে হবে এবং কৃষির উন্নয়ন হতে হবে টেকসই উন্নয়ন।
কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, গবেষক, কৃষি কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কৃষক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের কৃষির বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে, এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।
প্রধান অতিথি কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান ছাড়াও কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় এফএও’র প্রতিনিধি মার্টিন মাওগাসটিন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রংপুরের জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার বক্তব্য রাখেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে সংবাদ সংস্থা (বাসস)।













